অর্থ-বাণিজ্য

যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে ২৬.৫ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করল এসকে হাইনিক্স

ঢাকা, (১০ জুলাই, ২০২৬) ওপেনপ্রেস২৪ ডেস্ক/বাসস :  কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির উত্থানের সুযোগ কাজে লাগিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এসকে হাইনিক্স শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে বড় ধরনের তালিকাভুক্তির মাধ্যমে ২৬.৫ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করেছে। এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শেয়ার বিক্রির ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ সেমিকন্ডাক্টর নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিনির্ভর নাসডাক শেয়ারবাজারে প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ শেয়ার ছাড়ার পরিকল্পনা করেছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

এসকে হাইনিক্স বিশ্বের শীর্ষ চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়ার উন্নত মানের মেমোরি চিপ সরবরাহকারী। বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ডেটা সেন্টার নির্মাণের প্রতিযোগিতা বেড়ে যাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির মুনাফা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

তবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে অতিমূল্যায়নের আশঙ্কায় প্রযুক্তি খাতের অনেক শেয়ারের দাম কমেছে। চলতি বছরে দক্ষিণ কোরিয়ার শেয়ারবাজারে এসকে হাইনিক্সের শেয়ারের দাম অবশ্য ২২০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। একই সঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে, এআই খাতে বিশ্বের বিপুল বিনিয়োগ থেকে প্রকৃত আয় কবে আসবে।

মার্কিন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, শুক্রবারের নাসডাক তালিকাভুক্তি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে। চাহিদার তুলনায় সাত গুণেরও বেশি আবেদন জমা পড়েছে।

এসকে হাইনিক্সের সংগৃহীত অর্থ গত মাসে স্পেসএক্সের প্রাথমিক শেয়ার বিক্রি (আইপিও) থেকে সংগৃহীত ৭৫ বিলিয়ন ডলারের রেকর্ড ছাড়াতে পারেনি। ওই আইপিওর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার।

তবে এসকে হাইনিক্সের এই তালিকাভুক্তি সৌদি আরামকোর ২০১৯ সালের ২৫.৬ বিলিয়ন ডলারের আইপিও এবং চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আলিবাবার নিউইয়র্ক তালিকাভুক্তির সময় সংগৃহীত ২১.৮ বিলিয়ন ডলারকে ছাড়িয়ে গেছে।

এসকে হাইনিক্স যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে আমেরিকান ডিপোজিটরি শেয়ার (এডিএস) পদ্ধতিতে তালিকাভুক্ত হচ্ছে। এই পদ্ধতিতে বিদেশি কোম্পানির শেয়ার যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে কেনাবেচার সুযোগ তৈরি হয়।

প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ১৭৭.৯ মিলিয়ন ডিপোজিটরি শেয়ারের প্রতিটির প্রাথমিক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪৯ ডলার। এর মাধ্যমে একজন বিনিয়োগকারী কোম্পানির সাধারণ একটি শেয়ারের দশ ভাগের এক ভাগের মালিকানা পাবেন।

Share

Follow us