ভাসানচরে ১০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে চুক্তি স্বাক্ষর
ঢাকা, ওপেনপ্রেস২৪ নিউজ ডেস্ক : নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার ভাসানচর দ্বীপে ১০ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে চীনের একটি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বাবিউবো)।
একই চুক্তির আওতায় ১৬ মেগাওয়াট ক্ষমতার ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম (বিইএসএস) এবং সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা স্থাপন করা হবে।
আজ ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বৃহস্পতিবার চীনের সুহুয়া কনস্ট্রাকশন গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেড ও বাংলাদেশের পাওয়ার সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের (পিএসডিসি) সমন্বয়ে গঠিত সুহুয়া-পিএসডিসির সঙ্গে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। খবর বাসস।
বাবিউবোর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, চুক্তির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৬৭ কোটি ৫৪ লাখ ৭৫ হাজার ৮৫৫ টাকা। এর মধ্যে রয়েছে ৯০ লাখ ৪৯ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার বিদেশি মুদ্রায় এবং ৫৬ কোটি ৮৮ লাখ ১২ হাজার ৫০০ টাকা স্থানীয় মুদ্রায়। প্রকল্পটির মেয়াদ ধরা হয়েছে ১৮ মাস।
বাবিউবোর ‘ইলেক্ট্রিফিকেশন অ্যাট ভাসানচর অব নোয়াখালী ডিস্ট্রিক্ট’ প্রকল্পের আওতায় ভাসানচরে এটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। চুক্তিতে বাবিউবোর পক্ষে বোর্ড সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আফরোজা সুলতানা এবং সুহুয়া কনস্ট্রাকশন গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেডের পক্ষে ব্যবস্থাপক জিয়াং রুইহুয়া স্বাক্ষর করেন।
বিশ্বব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের আওতার বাইরে থাকা ভাসানচরে প্রকল্পটি একটি অফ-গ্রিড হাইব্রিড বিদ্যুৎ ব্যবস্থা হিসেবে বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পের আওতায় স্থাপিতব্য ১৬ মেগাওয়াট-আওয়ার বিইএসএস দেশের অন্যতম বৃহৎ ব্যাটারি স্টোরেজ ব্যবস্থা হবে। সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি এতে ব্যাটারি ব্যাকআপ ও সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা স্থাপন করা হবে।
উল্লেখ্য, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ভাসানচরে ডিজেলভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের ওপর নির্ভরতা কমবে এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ ব্যবস্থার প্রসার ঘটবে।
এতে ভাসানচরে বসবাসরত জনগোষ্ঠী এবং সেখানে কার্যক্রম পরিচালনাকারী সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার জন্য নির্ভরযোগ্য ও টেকসই বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা সহজ হবে। পাশাপাশি দ্বীপটির দীর্ঘমেয়াদি বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণেও প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

